আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমি তাপসিনা ফারজানা👋 আছি আপনাদের সাথে। আমার Wpxz1001 ব্লগে আপনাকে সাগতাম।আজকের পোস্টে আমি এমন একজন মানুষের কথা শেয়ার করবো যে কিনা নিজের প্রচেষ্টার ইউটিউবের বিকল্প ওয়েবসাইট Weekmotion প্লাটফর্মটি তৈরি করেছিলো।সফলতার পেছনে অনেকের অনেক ব্যর্থতা থাকে যেসব কাহিনি হয়তো আমাদের নতুন কিছু শিখায় এবং কিছু করার আগ্রহ বা আমাদের কাজ করার ক্ষেএে তৈরি হওয়া হতাশাকে দূর করে।
সজীব সিকদারের (Born) জন্মঃ
Shajib Sikder এর জন্মস্থান গাজীপুর। ২০০৫ সালের ১৫ই জানুয়ারি,সম্ভবত শনিবার তার জন্ম হয়। সাধারন মধ্যবৃও পরিবারের বড় ছেলে।এখন বর্তমান ২০২১ এর তথ্য মতে তারা এক ভাই তার ছোট এক বোন আছে।
শিক্ষাজীবনঃ ছোটবেলা থেকে সজীবের ছিলো কম্পিউটারের প্রতি প্রবল দুর্বলতা।Shajib ছোটবেলা থেকেই খুবই মেধাবী ছিলেন যে কারনে স্কুলের শিক্ষকরাও তাকে অনেক আদর করতো।সজীব সিকদার ২০১৫ সালে ফাউগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে PSC পাশ করেন।পরবর্তীতে গাজীপুর বয়েস স্কুলে ভর্তি হয় ষষ্ঠ শ্রেনিতে।সপ্তাম শ্রেনিতে গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।সেখান থেকে JSC পাশ করে ২০১৮ সালে।বর্তমান ২০২০ সাল এখন ফাউগান উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করছেন।
যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট অথবা মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন whatsapp: +8801732763317 ফেইজবুক পেইজ A1 Creator Lab
GCBHS অথাৎ Gazipur Cantonment Board High School সেখান থেকেই কম্পিউটারের যাএা শুরু।স্কুলের ICT শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম মুল্লা স্যারের মুখে প্রথম শোনে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায়।সেই থেকে অনলাইন কি জানার আগ্রহ।ফোন ছিলো না সেই সময় টিফিন খরচের টাকা জমিয়ে প্রথম ফোন কেনে সজীব। ইউটিউবে ঘাটাঘাটি শুরু অনলাইনে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়।প্রথমে মোবাইল দিয়ে অন্যের ওয়েবসাইটে কাজ করে ১০ টাকা, ২০ টাকা প্রেমেন্ট পেয়ে তার অনলাইনে কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ে।
এমন সময় যখন দেখে কাজ করার পরও অনেক সময় প্রেমেন্ট পাওয়া যায় না তখন মাথায় চিন্তা আসলো আসলে এই ওয়েবসাইটগুলোর মালিক কারা।আমারো যদি এমন একটা ওয়েবসাইট থাকতো তাহলে কেমন হতো? আমি ওয়েবসাইটের মালিক তখন হাজার হাজার মানুষ আমার ওয়েবসাইটে কাজ করবে।তখন থেকে অনলাইনে ঘাটাঘাটি করে এসব ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরি করতে হয়।সে বুঝতে পারলো ওয়েবসাইট বানাতে প্রোগ্রামিং জানতে হয় সাথে লেপটপ বা কম্পিউটারের প্রয়োজন।তার তখন কিছুই নেই না আছে প্রোগ্রামিং দক্ষতা না আছে কম্পিউটার।
তখন তার ফেজবুকে একজন ডেবলাপারের সাথে কোনো এক ভাবে পরিচয় হয়।তাকে তার ইচ্ছার কথা বলায় সে তাকে ২৫০০ টাকায় একটা অ্যাপ বানিয়ে দিতে রাজি হয় অ্যাপটি ছিলো আর্নিং অ্যাপ।সেই অ্যাপটিতে সে আস্তে আস্তে বন্ধুদের এবং এলাকার বন্ধুদের ইউজ করতে বলে। প্রথম মাসে তার অ্যাপটাতে ৫০ জন ইউজার ছিলো এবং ইনকাম হয় ১২ ডলারের মতো।ব্যাংকে প্রেমেন্ট নিতে ১০০$ প্রয়োজন যে কারনে সে পরের মাসে প্রোমোশন করে ২০০+ খানেক ইউজার বানিয়ে ফেলে।সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় সে মাসে তার ইনকনম হয় ৫০০$ টাকা তুলতে ব্যাংক প্রয়োজন বাবা মা তেমন এসব বিশ্বাস করেনা যে কারনে ব্যাংক নম্বর দিতে চায়না।অনেক বলার পর এক পর্যায়ে টাকাটা হাতে পায় সে।
পরের মাসে তার অ্যাপে ৭০০০+ ইউজার হয় এবং ইনকাম ৯০০$ ছাড়ায় সে মাসে সেই টাকা দিয়ে সে কম্পিউটার কেনে।এবং প্রোগ্রামিং শিখতে থাকে।তার তৈরি প্রথম ই-বুক অ্যাপ ২০২০ সলে প্লে স্টোরে আসে Elaxux যা এক মাসে ৭৮ হাজার ডাউনলোড হয়।
বর্তামনে সে একটি ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম তৈরি করছে যা ইউটিউবের বিকল্প সাইট হিসেবে কাজ করবে।যার নাম দেয়া হয় Weekmotion আমরা সবাই অনেক আগ্রহে আছি এটার জন্য।এরই মধ্যে হাজারো ব্যর্থতার কাহিনী আছে যেগুলো বলিনি।আপনারা তার সম্পর্কে আরো জানতে চাইলে কমেন্ট করবেন।তার একটি GF আছে যে কিনা তার প্রতি কাজের খুটি।তার সম্পর্কে জানতে চাইলেও জানাবেন,ধন্যবাদ।


